রাজশাহীর তানোরে এক স'মিল মালিকের বিরুদ্ধে অন্যর জমির গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত স'মিল মালিকের নাম কয়েশ আলী তিনি পাঁচন্দর ইউপির বনকেশর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের পুত্র।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১আগষ্ট) রাসেল বুলবুল বাদি হয়ে কয়েশ উদ্দিনের বিরুদ্ধে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে,গত ৩০ আগস্ট সকালে গ্রামের কিছু খারাপ লোকের প্রলোভনে তার জায়গার উপর লাগানো বেশ কিছু মেহেগুনি ও আম গাছ কেটে নিয়ে যায় কয়েশ।এসব গাছের বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
বুলবুল বলেন, তিনি পারিবারিক সমস্যার কারনে রাজশাহী মেডিকেলে অবস্থান করছিলাম। সেখান থেকে খবর পান কয়েশ দলবল নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমির উপর লাগানো বড় বড় মেহেগুনি ও আম গাছ কেটে নিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান,নীতিমালা লঙ্ঘন করে (আবাশিক) ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় কয়েশ অবৈধভাবে স'মিল স্থাপন করেছেন।তার স'মিলের বিকট শব্দে আশ পাশের বসতবাড়ির মানুষ চরম বিপাকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত- বন এবং সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার ১০ কিলোমিটার ও পৌর এলাকায় সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী করাত কল নির্মাণ করতে হবে, সকল করাত কল মালিককে লাইসেন্স, প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন ও রেজিষ্ট্রার খাতা এবং খাতায় গাছের ক্রেতা-বিক্রেতার নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ রাখতে হবে।
এদিকে গাছ কেনা বেচার ক্ষেত্রেও কিছু বিধিমালা প্রণয়ন হয় ১৯৯৮ সালে ও ২০০২ সালে সংশোধিত বিধিমালাও প্রণয়ন হয়। বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে, বন বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ যে কোনো সময় বা প্রয়োজনে করাত কলের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়াও পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, আবাশিক ভবন, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর এমন স্থানে স'মিল স্থাপন করা যাবে না।কিন্ত্ত কয়েশ স'মিল এসব নিয়মকানুন মানছেন না।স্থানীয়রা তার স'মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনার দাবি করেছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে স'মিল মালিক কয়েশ আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তিনি টাকা দিয়ে গাছ কিনে শ্রমিক দিয়ে কেটে নিয়েছেন।তিনি বলেন,জায়গার কাগজপত্র দেখে তো গাছ কেনা হয় না,যে গাছ বিক্রি করেছেন তাকে বলুক এখানে তার কি দোষ।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে।তিনি বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১আগষ্ট) রাসেল বুলবুল বাদি হয়ে কয়েশ উদ্দিনের বিরুদ্ধে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে,গত ৩০ আগস্ট সকালে গ্রামের কিছু খারাপ লোকের প্রলোভনে তার জায়গার উপর লাগানো বেশ কিছু মেহেগুনি ও আম গাছ কেটে নিয়ে যায় কয়েশ।এসব গাছের বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
বুলবুল বলেন, তিনি পারিবারিক সমস্যার কারনে রাজশাহী মেডিকেলে অবস্থান করছিলাম। সেখান থেকে খবর পান কয়েশ দলবল নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমির উপর লাগানো বড় বড় মেহেগুনি ও আম গাছ কেটে নিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান,নীতিমালা লঙ্ঘন করে (আবাশিক) ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় কয়েশ অবৈধভাবে স'মিল স্থাপন করেছেন।তার স'মিলের বিকট শব্দে আশ পাশের বসতবাড়ির মানুষ চরম বিপাকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত- বন এবং সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার ১০ কিলোমিটার ও পৌর এলাকায় সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী করাত কল নির্মাণ করতে হবে, সকল করাত কল মালিককে লাইসেন্স, প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন ও রেজিষ্ট্রার খাতা এবং খাতায় গাছের ক্রেতা-বিক্রেতার নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ রাখতে হবে।
এদিকে গাছ কেনা বেচার ক্ষেত্রেও কিছু বিধিমালা প্রণয়ন হয় ১৯৯৮ সালে ও ২০০২ সালে সংশোধিত বিধিমালাও প্রণয়ন হয়। বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে, বন বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ যে কোনো সময় বা প্রয়োজনে করাত কলের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়াও পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, আবাশিক ভবন, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর এমন স্থানে স'মিল স্থাপন করা যাবে না।কিন্ত্ত কয়েশ স'মিল এসব নিয়মকানুন মানছেন না।স্থানীয়রা তার স'মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনার দাবি করেছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে স'মিল মালিক কয়েশ আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তিনি টাকা দিয়ে গাছ কিনে শ্রমিক দিয়ে কেটে নিয়েছেন।তিনি বলেন,জায়গার কাগজপত্র দেখে তো গাছ কেনা হয় না,যে গাছ বিক্রি করেছেন তাকে বলুক এখানে তার কি দোষ।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে।তিনি বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
আলিফ হোসেন